দেশের ও দলের কাজ করতে গিয়ে নিজের জীবন দিয়েছেন আমাদের নেতারা,দল কিংবা আমরা কি পেরেছি তাদের স্ত্রী সন্তান ও পরিবারকে তাদের প্রাপ্যতা দিতে?

আমাদের নেতারা যারা দেশের ও দলের কাজ করতে গিয়ে নিজের জীবনকে পর্যন্ত শেষ করে দিয়েছেন আমাদের দল কিংবা আমরা কি পেরেছি তাদের স্ত্রী সন্তান ও পরিবারকে তাদের প্রাপ্যতা দিতে?

আমরা হারিয়েছি একজন লাখো মানুষের প্রতিনিধি এক কথায় নেতা। কিন্তু আমাদের চেয়ে অনেক মূল্যবান জিনিস হারিয়েছেন তাদের পরিবার একজন মা হারিয়েছে তার সন্তান,বোন হারিয়েছে ভাই, স্ত্রী হারিয়েছে তার স্বামী আর একজন সন্তান হারিয়েছে তার বাবা তার পৃথিবীকে।
১ ইলিয়াস আলীর স্ত্রী
২ কে এম হেমায়েত উল্লা আওরঙ্গ স্ত্রী
৩ সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী স্ত্রী
৪ নাসির উদ্দীন আহমেদ পিন্টু র স্ত্রী

কেউ কি বলতে পারবেন এই চার জন বীর ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা নেতাদের স্ত্রী দলের জন্যে জীবন দেয়া তাদের স্বামীকে হারিয়ে ফেলার অপরাধ কি তাদের বিএনপির পরিবার থেকে নিশ্চুপে কি বহিষ্কারাদেশ?

আমরা চাই যাতে উনারা নিজে আসনে বসে অন্যান্য নেতা কর্মীদের স্ত্রী সন্তানের মূল্যায়ন করবেন।তখনই মূল্যায়িত হবে শহীদ জনির পরিবার সহ অন্যান্য শহীদদের পরিবার যারা হাসিনা সন্তাসী কর্তৃক গুম খুন হত্যার শিকার হয়েছিলো।
আর যদি এই ৪ জন বাঘা বাঘা নেতার স্ত্রী ও সন্তানদের আমরা কিংবা আমাদের দল মূল্যায়ন করতে না পারি তাহলে আমরা আমাদের ব্যার্থতার পরিচয় দিবো এবং হারাতেও পারি আমাদের সেইসব মূল্যবান দূর্গ খ্যাত বিএনপির আসন।

আশাকরি দল অবশ্যই তাদের মূল্যায়ন করবে।
এই চার জন নেতার স্ত্রীদের বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য করার জন্যে বিনীত অনুরোধ করছে তাদের আসনের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা। তাদের ও সকলের দাবী ও দৃঢ় বিশ্বাস যে দেশমাতা বেগম জিয়া ও তারুণ্ণের অহংকার আমাদের প্রীয় নেতা তারেক রহমান অতিস্বত্বর এই চার জন বাঘা নেতাদের স্ত্রী দের বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ঘোষণা করবেন ।

এই চারটি হত্যা হাসিনা স্বয়ং খুব সুন্দর প্রি প্ল্যান করে হত্যা করিয়েছেন কিন্তু প্রত্যেকটা হত্যার ধরন ভিন্ন ভাবে ছক করা।
এম ইলিয়াস আলী ভাই --গুম করে নিখোজ নিখোজ নাটক করে হত্যা ।

কে এম হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গ দাদা
মাওয়া রোডে তার গাড়ি লক্ষ করে একটি খালি বাস ধাক্কা দিয়ে দাদার গাড়ি সহ পিষ্ট করে হত্যা করা হয় এই বীর নেতাকে।

সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী কে যুদ্ধাপরাধীর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ঝুলানো হলো ফাঁসিতে।

আর নাসির উদ্দীন আহমেদ পিন্টু ভাইকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কিংবা কাশিমপুর কারাগারে না রেখে ঢাকর বাইরে নিয়ে নির্যাতন ও বিনা চিকিত্‍সায় হত্যা করেছে এই হাসিনা।

এই মিনতী টুকু একটু কষ্ট করে পড়বেন ।

আমাদের নেতারা যারা দেশের ও দলের কাজ করতে গিয়ে নিজের জীবনকে পর্যন্ত শেষ করে দিয়েছেন আমাদের দল কিংবা আমরা কি পেরেছি তাদের স্ত্রী সন্তান ও পরিবারকে তাদের প্রাপ্যতা দিতে?

আমরা হারিয়েছি একজন লাখো মানুষের প্রতিনিধি এক কথায় নেতা। কিন্তু আমাদের চেয়ে অনেক মূল্যবান জিনিস হারিয়েছেন তাদের পরিবার একজন মা হারিয়েছে তার সন্তান,বোন হারিয়েছে ভাই, স্ত্রী হারিয়েছে তার স্বামী আর একজন সন্তান হারিয়েছে তার বাবা তার পৃথিবীকে।
১ ইলিয়াস আলীর স্ত্রী
২ কে এম হেমায়েত উল্লা আওরঙ্গ স্ত্রী
৩ সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী স্ত্রী
৪ নাসির উদ্দীন আহমেদ পিন্টু র স্ত্রী

কেউ কি বলতে পারবেন এই চার জন বীর ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা নেতাদের স্ত্রী দলের জন্যে জীবন দেয়া তাদের স্বামীকে হারিয়ে ফেলার অপরাধ কি তাদের বিএনপির পরিবার থেকে নিশ্চুপে কি বহিষ্কারাদেশ?

আমরা চাই যাতে উনারা নিজে আসনে বসে অন্যান্য নেতা কর্মীদের স্ত্রী সন্তানের মূল্যায়ন করবেন।তখনই মূল্যায়িত হবে শহীদ জনির পরিবার সহ অন্যান্য শহীদদের পরিবার যারা হাসিনা সন্তাসী কর্তৃক গুম খুন হত্যার শিকার হয়েছিলো।
আর যদি এই ৪ জন বাঘা বাঘা নেতার স্ত্রী ও সন্তানদের আমরা কিংবা আমাদের দল মূল্যায়ন করতে না পারি তাহলে আমরা আমাদের ব্যার্থতার পরিচয় দিবো এবং হারাতেও পারি আমাদের সেইসব মূল্যবান দূর্গ খ্যাত বিএনপির আসন।

আশাকরি দল অবশ্যই তাদের মূল্যায়ন করবে।
এই চার জন নেতার স্ত্রীদের বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য করার জন্যে বিনীত অনুরোধ করছে তাদের আসনের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা। তাদের ও সকলের দাবী ও দৃঢ় বিশ্বাস যে দেশমাতা বেগম জিয়া ও তারুণ্ণের অহংকার আমাদের প্রীয় নেতা তারেক রহমান অতিস্বত্বর এই চার জন বাঘা নেতাদের স্ত্রী দের বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ঘোষণা করবেন ।

এই চারটি হত্যা হাসিনা স্বয়ং খুব সুন্দর প্রি প্ল্যান করে হত্যা করিয়েছেন কিন্তু প্রত্যেকটা হত্যার ধরন ভিন্ন ভাবে ছক করা।
এম ইলিয়াস আলী ভাই --গুম করে নিখোজ নিখোজ নাটক করে হত্যা ।

কে এম হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গ দাদা
মাওয়া রোডে তার গাড়ি লক্ষ করে একটি খালি বাস ধাক্কা দিয়ে দাদার গাড়ি সহ পিষ্ট করে হত্যা করা হয় এই বীর নেতাকে।

সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী কে যুদ্ধাপরাধীর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ঝুলানো হলো ফাঁসিতে।

আর নাসির উদ্দীন আহমেদ পিন্টু ভাইকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কিংবা কাশিমপুর কারাগারে না রেখে ঢাকর বাইরে নিয়ে নির্যাতন ও বিনা চিকিত্‍সায় হত্যা করেছে এই হাসিনা।

কে কে বলতে পারবেন এই চার নেতা মোট কয়টি আসনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ?
কে কয়টি ?

ইমরান নাহিদ
কোতয়ালি - বংশাল থানা বিএনপি
নাগরিক অধিকার আদায়ে সোচ্চার -
নাগরিক আন্দোলন
CITIZEN MOVEMENT
আহবায়ক বাংলাদেশ ।