তাজরিন গার্মেন্টসের অগ্নিকান্ডের মামলার বিচার হয়নি ১১ বছরেও

তাজরীন গার্মেন্টসে আগুন লেগেছিল আজ থেকে ১১ বছর আগে ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যায়। সেই আগুনে পুড়ে অকালে মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ১১১ পোশাকশ্রমিকের।

তাজরীন অগ্নিকাণ্ডের বিচারকার্যে এই অবহেলা ও দীর্ঘসূত্রতার পেছনে কারখানার মালিক দেলোয়ার হোসেনের অর্থ ও ক্ষমতার ভূমিকা স্পষ্ট। ২০১৮ সাল থেকে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর মৎস্যজীবী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ২০২২ সালের মে মাসে তাঁকে সংগঠনটির সভাপতিও নির্বাচিত করা হয়।

কাগজে-কলমে আইন সবার জন্য সমান হলেও বাস্তবে আইন ক্ষমতার হাত ধরে চলে। এ দেশে ক্ষমতাসীন সরকার চাইলে বিচার হয়, না চাইলে বিচার হয় না।

নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন নাশকতার মামলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য রাতের বেলাতেও সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার বংশাল থানায় করা এক নাশকতার মামলায় ৩৩ সাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেই ২০ নভেম্বর বিএনপির ৬৮ নেতা-কর্মীকে সাড়ে তিন বছর করে সাজা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পাঁচ সাক্ষীর মধ্যে একজন মামলার বাদী আর আরেকজন তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা!

অথচ তাজরীন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি কোনো গায়েবি মামলার বিষয় নয়, এ ঘটনায় কারখানার মালিকপক্ষের অবহেলাতেই শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদের লিঙ্ক কমেন্ট‌ সেকশনে দেখুন —

#StepDownHasina
#RestoreCaretakerGovt
#TakeBackBangladesh
#FreeDemocracy

  • ঢাকা
  • জাতীয়

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *